শেখ হাসিনার আরো একটি গোপন কল রেকর্ড ফাঁস

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৫ আগস্টের পর বাংলাদেশ অনেক কিছু হারাতে হারাতে, একসময় পরিচিত ছিল ‘ভিক্ষার জাতি’ হিসেবে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভরা দেশ হিসেবে, অথচ আজ বাংলাদেশের উন্নতি বিশ্বে এক অনন্য উদাহরণ। শেখ হাসিনা নিজে বলেছেন, “আমরা আজকে উন্নয়নের রোল মডেল, বিশ্বের সম্মান অর্জন করেছি। কেউ আমাকে শরিয়াচারী বলুক বা গণহত্যাকারী বলুক, আমি কিন্তু জানি, বাংলাদেশ আজ কোথায় দাঁড়িয়ে আছে।”
তবে, বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে যা ঘটছে তা খুবই উদ্বেগজনক। শেখ হাসিনা নিজেই তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, “আজকের বাংলাদেশে পুলিশ হত্যার ঘটনা ঘটছে, প্রায় ৪০০ জন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। ছাত্র, যুবক, মহিলা— কেউ বাদ যাচ্ছে না। মায়েরা পর্যন্ত তাদের ছেলেদের জন্য সিঁড়ি নিচ্ছেন না, মাকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, গাছের সাথে বেঁধে অপমান করা হচ্ছে, নেকাব পড়া অবস্থায় হত্যা করা হচ্ছে, আবার কেউ কেউ আগুনে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে। এ কি বর্বরতা নয়? এরা কি গণহত্যাকারী নয়? এরা কি স্বেচ্ছাচারী নয়?”
শেখ হাসিনা বলেন, “আমি গ্রামীণ ব্যাংকের ম্যানেজার হিসেবে কাজ শুরু করেছিলাম ৬০০০ টাকা বেতনে ১৯৯০ সালে। কিন্তু ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করার পর, গ্রামীণ ব্যাংককে ৪০০ কোটি টাকা দিয়ে দাঁড় করাই। শুধু তাই নয়, গ্রামীণ ফোনের ব্যবসাও ড. ইউনুসকে দিয়েছিলাম। প্রতিশ্রুতি ছিল যে, গ্রামীণ ব্যাংকের উন্নতির জন্য লাভের একটি অংশ আসবে, কিন্তু তা হয়নি। বরং, ড. ইউনুস নিজেই দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিংয়ের সাথে যুক্ত ছিলেন। তার ক্ষমতার লোভ আজ বাংলাদেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে গেছে।”
তিনি আরও বলেন, “কিন্তু তার মধ্যে কোনো মনুষ্যত্ব বা কৃতজ্ঞতাবোধ নেই, যে তার উপর এত বড় দায়িত্ব আর সহযোগিতা দিয়ে তাকে উন্নতি করতে সাহায্য করা হয়েছে। তার কাছে আজ বাংলাদেশ ধ্বংস হওয়ার পথে চলে এসেছে।”
শেখ হাসিনা এই প্রসঙ্গে বলেছেন, “লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে যে পতাকা পেয়েছি, যে সংবিধান পেয়েছি, যে স্বাধীনতা পেয়েছি, তা কেউ ভেঙে ফেলতে পারবে না। ইতিহাস কিন্তু কখনো ভুলে যায় না। একবার ৭৫-এর পর ইতিহাস মুছে ফেলা হয়েছিল, কিন্তু আবারও ইতিহাস ফিরে এসেছে। যারা আজ এসব কাজ করছে, তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা পছন্দ করে না, তারা পাকিস্তানি মানসিকতা নিয়ে কাজ করছে।”
তিনি আরও বলেন, “কোভিড-১৯ মহামারির সময় যখন বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দায় ডুবে ছিল, তখনও আমরা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিয়েছিলাম। তাদের পড়াশোনার জন্য আমরা অনলাইনে ক্লাস চালু করি, টেলিভিশনে শিক্ষা কার্যক্রম প্রচারিত হয়, যাতে পড়াশোনা থেমে না যায়। আমাদের কাজ ছিল, দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার গতি অব্যাহত রাখা।”
এভাবেই শেখ হাসিনা বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যতের জন্য তার দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্ত করেছেন, যা বাংলাদেশের উন্নতির পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সোহাগ/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- তামিম ইকবালের হার্টে এত দ্রুত রিং পরানো সম্ভব হলো কীভাবে
- দিল্লি ছেড়ে কোথায় শেখ হাসিনা, নতুন ঠিকানা ফাঁস
- অবশেষে ঈদের নির্দিষ্ট তারিখ জানালেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা
- জ্ঞান ফিরেই যা বললেন তামিম
- ঢাকার অবস্থা আজ খুবই বিপর্যস্ত
- সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ
- ধোনির চাওয়াতে আইপিএলে চেন্নাইয়ে সাব্বির
- বেঙ্গালুরু বিপক্ষে হারের পর মুস্তাফিজকে নিয়ে যা বললেন কলকাতার অধিনায়ক রাহানে
- আবারও যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের কড়া বার্তা
- ভারতে মারা গেছেন ওবায়দুল কাদের; সত্য মিথ্যা যা জানা গেল
- হামজা চৌধুরী বাংলাদেশ দলে কত টাকা বেতন পাবেন
- ভারতের মাটিতে ভারতকে রুখে দিয়ে গ্রুপ সি-তে শীর্ষে বাংলাদেশ
- নিষিদ্ধ হচ্ছে আওয়ামী লীগ
- শেখ হাসিনা যাকে ফোন দিয়ে ৩০ মিনিট কেঁদেছিলেন
- নারী বিদ্রোহী ফুটবলাররা ক্যাম্পে ফিরছেন